প্রবাসীরা আর কত কষ্ট সহ্য করবে,শেষমেশ বউয়ের হাতে নিজের ছেলেই খুন হলো (বাকিটুকু পড়লে চোখের পানি ধরে রাখতে পারবেন না )

আমি একজন প্রবাসী বলছি,

গত ১৪ বছর আগে আমি বিয়ে করেছিলাম। পরে প্রায় দের বছর পরে আমার সন্তান জন্ম হয়। তখন আমি বিদেশে চলে আসি। এরপর আমার স্ত্রীর সাথে আমার মনোমালিন্য হয়। আমরা উভয়ের সম্মতিক্রমে ডিভোর্স করি।

Image may contain: 1 person, standing and outdoorImage may contain: 2 people, selfie
আমার ছেলে সবসময়ে ওর মায়ের কাছেই থাকতো, আর আমি সবসময়ে আমার ছেলের খোজখবর রাখতাম, টাকা পয়সা সব আমি বহন করতাম, প্রায়ে ৯ বছর পরে আমি আমার ছেলে রাহিম মল্লিককে তার মায়ের অনুমতি নিয়ে আমার বাড়ীতে নিয়ে আসি, ছেলেটা বড় হচ্ছে, সেজন্য তাকে নিয়ে আসা,তাকে নুরানি মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়ে দেই। ২ বছর পড়াশোনা করে, হঠাত করে আমার মা বাবা অসুস্ত হয়ে যায়। খবর পেয়ে তখন আমি দেশে আসি
তখন আমার মা বাবা আমাকে বিয়ের জন্য বলে, চিন্তা করে দেখলাম মা বাবা অসুস্ত অনেক; কি করি! অনেক চিন্তা করে একটা মেয়েকে ঘটকের মাধ্যমে দেখতে যাই। মেয়ের নাম প্রিয়া। প্রথম দেখাতেই সে আমাকে অনেক লাইক করে। আমার সবকিছু জেনেই সে বিয়ের জন্য রাজি হয়।

Image may contain: one or more people

কয়েক দিন পরে আমি আর আমার ছেলেকে নিয়ে নতুন শশুরবাড়ী যাই। ২ দিন থাকি।
তখনি লক্ষ্য করলাম আমার শাশুড়ি আমার ছেলে রাহিমকে একটু হিংসা করে,
কিন্তু প্রিয়া রাহিমকে অনেক আদর করতো।

Image may contain: one or more people
কয়েক দিন পরে আমি বিদেশে চলে আসি, কিন্তু আমি সবসময় আমার ছেলে আর প্রিয়ার যোগাযোগ রাখতাম।
একদিন আমার ছেলে রাহিম বললো-
আব্বু! নানু বলেছে যে; আমি যদি ওদের বাড়িতে যাই তাহলে আমাকে জিন্দা কবর দিবে।

Image may contain: 4 people, outdoor

একথা শুনে আমি প্রিয়াকে জিজ্ঞেস করলাম; কেন তোমার মা একথা বলেছে?
প্রিয়া বলল- রাগের মাথায় বলছে। তুমি কিছু মনে করোনা।
তারপর একদিন রাহিমকে ফোন করে প্রিয়া বলল, তুমি আসো তারাতারি আমাদের বাড়ীতে, তোমাকে আজ একটা জামা কিনে দিবো।
অনেক খুশি হয়ে আমার ছেলে চলে গেল ওদের বাড়িতে, জামা কেনার কথা বলেই প্রিয়া ওকে নিয়ে গেলো বাজারে

এটা তার একটা ছলনা ও অভিনয় ছিল,
ঐরাতে ঠিক ৯ টার দিকে রাহিমকে রাহিমের আপন মা ফোন করে। তার সাথে কথা হয় অল্প মিনিট। তারপর আমার ছেলে রহিমকে রাতের অন্ধকারে প্রিয়া ও তার মা মিলে হত্যা করে।

তার পরের দিন ডাইনী প্রিয়া আমাকে ফোন দিয়ে বলে রাহিম মরে গেছে। ঘুম থেকে উঠে না; দিনের ১২ টা বাজে।

এরপর যখন পুলিশ পাঠাই তখন প্রিয়ার আসল চেহারা বের হয়ে আসে। পুলিশের ভয়ে স্বীকার করে যে সে নাকি খুন করেছে, ওর মা বাবা ও সাথে ছিল,

আজকে খবর পেলাম, আমার ছেলের খুনিদের কে পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে। ছেলেকে হারিয়ে আমি খুব অসহায়! আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। আপনারা দয়া করে আমার পাশে দাড়ান, পুরো ফেইসবুকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।

প্রচারে- শাহাদাত মল্লিক।

Leave a Reply