ব্রাজিল নাকি বেলজিয়াম, কি বললো জ্যোতিষী উট?

বিশ্বকাপে এবার শেষ মুহুর্তে এসে আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে উট শাহিন। শেষ মুহুর্তে এসে তার প্রেডিকশন হচ্ছে সঠিক। আর সেই প্রেডিকশনের মধ্যে এবার ব্রাজিল বেলজিয়াম ম্যাচেরও প্রেডিকশন করলেন সেই উট।

রাশিয়া স্পেন ম্যাচে রাশিয়ার পক্ষে সাফাই গেয়েছিল এই উট। ব্রাজিল মেক্সিকো ম্যাচে ব্রাজিলের পক্ষেই ছিল তার রায়। এবার ব্রাজিল-বেলজিয়াম ম্যাচে তার রায় ব্রাজিলের পক্ষেই।

উল্লেখ্য, আগামী ৬ তারিখ রাত ১২ টায় কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিল ও বেলজিয়াম মুখোমুখি হবে।

অস্ত্র চোরাচালানের অপরাধ, সাজা ঘোষণা আফতাব আনসারির

আহমেদাবাদ: কলকাতায় আমেরিকান সেন্টারে হামলা চালানোর মূলচক্রী আফতাব আনসারির সাজা ঘোষণা করা হল৷ অস্ত্রের চোরাচালানের একটি মামলায় ১০ বছরের সাজা হল আফতাবের৷

২০০১ সালের অক্টোবর মাসে গুজরাতের পাটান এলাকা থেকে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। রাতের অন্ধকারে একটি ট্রাকে করে ওই সমস্ত অস্ত্র পাচার করছিল কয়েকজন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে তা পাকড়াও করে সিবিআই৷ গ্রেফতার করা হয় এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজনকে৷

অন্য সামগ্রীর সঙ্গেই উদ্ধার হয় ১৪ কেজি আরডিএক্স। এছাড়া দুটি একে-৪৭ রাইফেল এবং পিস্তলও পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগে বলা হয়৷ ছিল রিমোট কন্ট্রোল কন্ট্রোল ডিভাইস থেকে শুরু করে ডিটোনেটরও।

গুজরাটের স্পেশাল সিবিআই আদালত মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করে। বর্তমানে জেলেই রয়েছে আফতাব৷ এই রায়ের ফলে সারা জীবন জেলের চার দেওয়ালের মধ্যেই কাটাতে হবে তাকে। এরই মধ্যে অস্ত্র মামলায় তার দোষ প্রমাণিত হল। শুধু এই মামলা নয়, আফতাবের বিরুদ্ধে এরকম আরও বহু মামলা ঝুলছে বিভিন্ন আদালতে।

এই মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার জালে ধরা পড়ে আরও কয়েকজন। সব মিলিয়ে আফতাবের আগে এই মামলায় মোট চার জনের সাজা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই অস্ত্র পাচার মামলায় আফতাবের নাম প্রকাশ্যে আসে৷ আমেরিকান সেন্টারে হামলা বা অস্ত্র পাচার শুধু নয়৷ আফতাবের সঙ্গে পাকিস্তানের জঙ্গিদের যোগাযোগ নানাভাবে প্রমাণিত হয়েছে সিবিআইয়ের জেরায়৷ আফতাবকে ২০০২ সালে দুবাই থেকে ভারতে নিয়ে আসে সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতরের জেরায় সে স্বীকার করে পাক জঙ্গি ওমর শেখের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে৷

অস্ত্রপাচার কান্ডের ধৃতরা আরও জানায়, হাওলা কারবারিদের কাজে লাগিয়ে ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করে সে এই সমস্ত অস্ত্র কিনেছে৷ সিবিআইয়ের দীর্ঘ তদন্তের পর এরকমই নানা তথ্য উঠে এসেছে।

দিনটা ছিল ২০০২ সালের ২২শে জানুয়ারি৷ ভোরের দিকে কলকাতার আমেরিকান সেন্টারে হামলা চালায় বেশ কয়েকজন। গুলির লড়াইয়ে শহিদ হন সেন্টারের নিরাপত্তারক্ষীরা। চার পুলিশ কর্মী সহ পাঁচ জন সেদিন প্রাণ হারান। আহত হন ২০ জন। গোটা দেশের মানুষের স্মৃতিতেই তাজা আমেরিকান সেন্টারের হামলার ঘটনা।

Leave a Reply